শরীর
ershadmz June 28th, 2007
বন্ধুরা সবাই শরীরের সাথী
শরীর যেমন চায়
তুমি আমার হৃদয়ের বন্ধু
হৃদয় যেমন চায়।
শরীর আমার মুসাফিরখানা
মেহমান আসে যায়
হৃদয়ের বন্ধু তুমিযে আমার
সবাই ভুলেছে আমায়।
২৫/৬/০৭
ershadmz June 28th, 2007
বন্ধুরা সবাই শরীরের সাথী
শরীর যেমন চায়
তুমি আমার হৃদয়ের বন্ধু
হৃদয় যেমন চায়।
শরীর আমার মুসাফিরখানা
মেহমান আসে যায়
হৃদয়ের বন্ধু তুমিযে আমার
সবাই ভুলেছে আমায়।
২৫/৬/০৭
ershadmz June 28th, 2007
জবান আমার বন্ধ করেছো
গুপ্ত থাকার জন্য
যে দুয়ার খুলেছো তুমি
অজানা অরণ্য।
২৫/৬/০৭
ershadmz June 28th, 2007
আমি আছি তোমাদের মাঝে
আমি নাই
আমার আমিকে আজও দেখি নাই
খুঁজি ফিরি তাকে যদি দেখা পাই
এই দেখি এই নাই
যিশুর গীর্জায়
কৃষ্ণের দেবালয়ে
মুসার তাওরাতে
ইব্রাহিমের ক্বাবাঘরে
মহান কিতাব কোরাণের পাতায়
এতটুকু দেখি নাই
আর কোন পথ জানা নাই
প্রেমের সাগরে ডুবে আছি
ডুবে থাকি তাই
তুর পাহাড়ে আগুন বলে,আমিই খোদা
তব হৃদয়ে মম ঠাঁই।
২৫/৬/০৭
ershadmz June 28th, 2007
সবকিছু ধুসর হচ্ছে
ধুসর হচ্ছে বিছানা , প্রিয়তমার মুক
পরিচিত ম্যাগাজিন বইপত্র
বহু বছরের সাথী কম্পিউটার
খাট পালং টেবিল দেরাজ।
সবকিছু ধুসর হচ্ছে
ভিতরে বাহিরে
বারান্দার ফুলের টব
জানালার পর্দা
একুইরিয়ামের লাল নীল সবুজ মাছ।
সবকিছু ধুসর হচ্ছে
চেনা শব্দ চেনা সুর
অতি পরিচিত গলা
সবুজ মাঠ গাছের পাতা
পোষা পাখি
নিকট দূর আপনজন
আর এভাবেই ধুসর হবো
আমিও একদিন।
২৫/৬/০৭
ershadmz June 28th, 2007
ফ্ল্যাটের শরীরে এখন গভীর রাত
রাতের গভীরে পায়চারী করছে
ঘুমহারা আমি
বহুমাত্রিক আমাকে দেখছে আমি
নানা রংয়ের আমি
নানা মুখোশে
দিনের আমি আর রাতের আমিতে
অনেক ফারাক।
২৩/৬/০৭
ershadmz June 28th, 2007
মাটির নীচের আশ্রয় নিরাপদ
যখন দেখবে মাটির উপরে
নেতারা স্বেচ্ছাচারী
মনিবের পিঠে গাধা।
মাটির নীচের আশ্রয় নিরাপদ
যখন দেখবে মাটির উপরে
নকল হেকিম হাকিম
ধনীরা মায়ের গোশত খায়
ইমাম পালিয়ে বেড়ায়।
১৫/৬/০৭
ershadmz June 18th, 2007
রাত্রির শরীরে খুঁটি পুতে রাখি প্রতিরাতে
খুঁটিগুলো কথা বলে রোজ প্রভাতে
আমি কথা বলি নিজের সাথে।
নীরবে নির্জনে একাই রাত্রির শরীরে খুঁটি পুতি
টুকটাক শব্দ কাটি রাত নিশুতি
একদিন দেয়ালের পেরেকে দেখি আমার শরীর
অবিকল শরীর যেনো যীশু আর মা মেরীর।
আবার আসবো আমি ফিরে
বৃত্তের মাঝে রাখবো তোমায় ঘিরে।
২৩/০২/০৬
ershadmz June 18th, 2007
ঈশ্বরের কবি আমি
আমার ভিতরে সদা কথা বলে
হাজারো সৃষ্টি,
খেলা করে
গান গায় গুনগুন
আমি কথা বলি সকল সৃষ্টির।
কথা বলি
চোর ডাকাত গুন্ডা বদমাশ লুচ্ছা
মাতাল বেশ্যার
হাজারো দালাল ফড়িয়ার
ভন্ড মিথ্যাবাদী ধর্মচোরের
কথা বলি যুদ্ধবাজ শকুনীর
খাবলে খায় স্বদেশের মানচিত্র, সভ্যতা
বোনের মায়ের ভাইয়ের রক্ত
কামান দাগায় গোলাপ বাগানে
প্রেমিকার শরীরে।
কথা বলি
ধনী গরীব ভিখেরী দিনমুজুর অন্ধমাজুর
দাঁতাল রাজনীতিক ভন্ড দেশপ্রেমিক
ক্ষমতার চামচা বুদ্ধিজীবির
যারা গেজেট জারী করে
হাসিকান্না ভালবাসা প্রেম
মায়ের মমতা বোনের বায়না
ইন্চিগজ মেপে হিসাব রাখে
যারা দিনে ঘুষ খায় রাতে মাল টানে
ফাঁক ফোকরে কবি সাজে
স্বভাবে সারমেয় সুরতে মানুষ
অলিতে গলিতে অফিসে আদালতে
মন্রীপাড়ায় উত্তরে দক্ষিণে
লেহন করে যাবতীয় হাতপা
অন্ধকারে শরীরের সকল গুহা।
কথা বলি ধর্ষক ধর্ষিতের,
অভাবের তাড়নায়
লান্ছিতা কুমারীর,বালক বেশ্যার
ভেংগে যাওয়া প্রিয় সংসারের
সমকামী নারী পুরুষ, শিল্পী-কবি নট-নটি
গায়ক-গায়িকার।
কথা বলি অবিনাশী প্রেমের
লাইলীমজনু শিরীফরহাদ রাধাকৃষ্ণ
চন্ডিদাস রজকিনী
মনসুর হাল্লাজ শামস-রুমী হাফিজ গালিব
সা’দী রবীন্দ্র-নজরুলের,
কাশ্মীরি সুন্দরীর
পাহাড়ি ঝরনা,সবুজ পাহাড়
নদীর কলতান সাগরের অবিরাম কান্নার।
যাবতীয় ধর্মমাতাল ধর্মদ্রোহী
বিভ্রান্ত অবিশ্বাসী অবিবেকী
চক্রান্ত করে মানুষ-প্রকৃতির বিরুদ্ধে
জয়গাণ করে ঠুটো জগন্নাথ জাতিসংঘের।
অবিরাম কথা বলি
কাবুল বসরার রাস্তায় পড়ে থাকা
বেআব্রু প্রাণহীন আয়েশার
পাশে ক্রন্দনরত দুধের শিশু
গুয়ানতানামো আবুগারীবে লাণ্ছিত নির্যাতিত
অপমানিত মানবতার।
প্রতিদিন প্রতিরাতে প্রতিক্ষনে
ঈশ্বরের দূত আসে
ডাক দিয়ে যায়
উঠো জাগো শিরদাঁড়া সোজা করো
কাগজ কলম ধরো
আকাশের ওপারে অদৃশ্য দেখো
সাত আসমানে লেখা প্রভুর বাণী পড়ো
আর লেখো লেখো লেখো
তুমিই আজ ঈশ্বরের কবি।
আমি কথা বলেছি বলছি বলবো
যতদিন প্রভুর নির্দেশ জারী থাকে
জগতে গ্রহ নক্ষত্রে
লাখো কোটি অজানা সৃষ্টিতে
আর আমাতে।
আমি অবিরাম কথা বলবো
লাশরীর হয়েও লোক লোকান্তরে
সকল লোকে কথা বলবো
সৃষ্টির কথা বলবো
তোমার কথা বলবো
শুধু তোমার কথা বলবো।
৮ই মার্চ আমার জন্মদিনের উপহার আমাকে
ershadmz June 18th, 2007
যতই খারাপ লাগুক
যতই মন কাঁদুক
অঘটন ঘটবেই
কোটি মানুষ মরবেই।
যতই খারাপ লাগুক
যতই মন কাঁদুক।
উড়ছে শত চিল
যতই মারো ঢিল
সুযোগে ছোঁ মারবেই
শিকার সে ধরবেই
যতই করো ভাব
এটাইতো স্বভাব।
যতই খারাপ লাগুক
যতই মন কাঁদুক
মনে আগুন জ্বলবেই
কোটি মানুষ মরবেই।
২৪/১১/০৪ রাত ১২টা
ershadmz June 18th, 2007
সময় জরুরী হোক অজরুরী হোক
কেন নালিশ করবো
চুপচাপ নির্জনতা খাবো
দাঁত বের করে কেলিয়ে হাসবো
হাসিতো আর কোন দ্রব্য নয়
হাসলেই দাম বেড়ে যাবে।
যুবতী ক্ষুধাকে চুষেচুষে খাবো
টসটসে আমের মতো
কেন নালিশ করবো
ন্যায্যমূল্যের মাল ন্যায্য দামে পাইনা বলে
শান্তিকে খুব ভালবাসি
শান্তির বোটা চুষেচুষে ঘুমিয়ে পড়ি
যারা নালিশ করবে
তারা শুয়ে থাক কোলবালিশ হয়ে
সময় করুক তাদের যেমন ইচ্ছা
তেমন কষে
আমরা কেন নালিশ করবো
নির্জনতা খাবো আর
যুবতী ক্ষুধাকে মরার আগে
শেষবার চুষে নেবো।
২৩/৫/০৭